মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দর্শনীয় স্থান

১। লাউচাপড়া পিকনিক ইস্পট

২। লাউচাপড়া বনফুল

৩। ধানুয়া কামালপুর স্মৃতিস্তম্ভ

৪। দশানী নদী

৫। সাধুর পাড়া শান্তি নগর

 

লাউচাপড়া পিকনিক স্পট

শহরে মানুষদের প্রকৃতির খুব কাছাকাছি যাওযার সুযোগ ঘটে বছরে খুব কম সময়ই আর তাই ছুটির দিনগুলোকে একান্ত প্রকৃতির সাথে বিলিন করতে প্রকৃতি প্রেমিরা যেতে পারেন জামালপুরে লাউচাপড়া ওয়াচ টাওয়ারের উপরে উঠে যত দৃরে চোখ যায় শুধুই সবুজের বিস্তীর্ন বিস্তার থাকার জায়গাগলো আটসাট হলেও মিলবে প্রকৃতির হিমেল ছোয়া ছুটির দিনগুলো কেটে যাবে কাঠ ঠোকরা আর হলদে পাখির কলতানে জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের লাউচাপড়া পাহাড়িকা অবকাশ কেন্দে বেড়াতেগেলে এমন কিছুর সন্ধান পেতে পারেন প্রথমেই জেনে নিন লাউচাপড়ায যাতায়ত তথ্য জাযগাটি জামালপুর জেলার অধীনে হলে যাওয়ার সহজপথ হলো শেরপুর হয়ে ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুরে যায় ড্রীমল্যান্ড পরিবহনের বাস ভাড়া ১১০টাকা ড্রীমল্যান্ড স্পেশালে ভাড়া ১৪০ টাকা শেরপুর থেকে বাসে বকশীগঞ্জের ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা সেখান থেকে রিকশা কিংবা ভ্যানে লাউচাপড়ার ভাড়া জনপ্রতি ২০-২৫ টাকা বকশিগঞ্জ ছেড়ে যতোই সমানে এগুতে থাকবেন চারদিকটা যেন ততোই সবুজ কোথাও কোথাও চলতি পথে সবুজের খেলা দেখতে দেখতে এক সময়ে এসে পেছুবেন এক পাহাড়ের পাদদেশে চারিদিকে গারো পাহাড়ের সবুজ বন পাহাড়ের গা বেয়ে আকা বাকা একটি সিড়ি উঠে গেছে একেবারে চূড়ায় সেখানে আবার রয়েছে মস্তবড় এক ওয়াচটাওয়ার দশ –বারোটি সিড়ি ভেঙ্গে উপরে উঠলে চারিদিকে সবুজ ছাড়া কিছুই আর চোখে পড়েনা দৃরে দেখা যায় বারতের মেঘালয় রাজ্যের আকাশ ছোয়া সব পাহাড় চারিদিকটা কেমন যেন ছবির মতো মনে হয় এই পাহাড়ি জঙ্গলে  আছে নানা জাতের পশু পাখি ধান পাকার মেৌশুমে আবার মেঘালয় থেকে চলে আসে বুনো হাতির দল কাঠ ঠোকরা হলদে পাখি. কালিম পাখি আরো কত ধরনের পাখি চোখে পড়বে এখানে এলে লাউচাপড়ার এ পাহাড় বেড়িয়ে ক্লান্ত হলে নিচে নেমে একটু বসতে পারেন লোকের ধারে সবুজ ঘাসের মাঝে কৃত্রিম এ লেকটি বেশ সুন্দর । লেকের পাশে কোন গাছের ছায়ায় বসে কাটাতে পারেন কিছুটা সময় । এ সময়টাতে গেলে বেড়িয়ে আনন্দ পাবেন । কেননা পিকনিক মেৌসুমে এখানে থাকে পিকনিক পার্টির ভীড় । পুরো অবসর বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে জামালপুর জেলা পরিষদ । এ অবসর কেন্দ্রে প্রবেশে কোন টাকা লাগে না । তবে কোন বাহন নিয়ে গেলে তার জন্য পার্কিং ফি দিতে হবে । পাহাড়তো দেখা হলো, এবার দেখে আসতে পারেন এখানকার উপজাতিদের ছোট্ট একটি গ্রাম । গারো উপজাতিদের এ গ্রামের নাম দিকলাকোনা  । এ গ্রামে বাইশ পরিবার রয়েছে একশ জন গারো । তারা সবাই খৃষ্ট ধর্মাবলম্বী । গ্রামে প্রবেশের আগে কথা বলতে পারেন এ গ্রামের মাতাব্বর প্রীতি সন সারমার সাথে । ভীষণ সদালাপি এ লোকটির আতিথেয়তায় মুগ্ধ হবেন আপনি । প্রতিবছর বড়দিন, ইংরেজী নববর্ষ, ইস্টার সানডে উপলক্ষে এ গ্রামে হয় নানান উৎসব । দিকলাকোনা গ্রামের শুরূতেই রয়েছে দিকলাকোনা সালগিত্তাল হোস্টেল । লাউচাপড়ায় রাত কাটানো হতে পারে আপনার জীবনের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা । এখানকার শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ রাতে যেন আরো শান্ত, আরো স্নিগ্ধ । রাতে এখানে থাকার জন্য দুটি রেস্ট হাউস আছে । একটি জামালপুর জেলা পরিষদের পাহাড়িকা বাংলা এবং অন্যটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বনফুল রিজর্ট । জেলা পরিষদের রেস্ট হাউসে থাকতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিয়ে আসতে হবে । যোগাযোগ করতে হবে প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ , জামালপুর । ফোন-০৯৮১-৬২৭১৬, ০৯৮১-৬৩৫১৪, ০৯৮১-৬৩২৪০ । তবে বেসরকারি বনফুল রিজর্টটি আরো বেশি সজ্জিত ও সুযোগ সুবিধা সম্বলিত । এই রিজর্টে সাধারণ কক্ষে ভাড়া ১০০০ টাকা এবং তাপনিয়ন্ত্রিত কক্ষের ভাড়া ১৫০০ টাকা । যোগাযোগ –রিভার এন্ড গ্রীন ট্যুরস, এম আর সেন্টার (৭ম তলা ), বাড়ি -৪৯ , সড়ক ১৭, বনানি বাজার, ঢাকা । ফোন-৮৮২৬৭৫৯, ০৭৮৯-২২৪৫৯৩ ।

সংযুক্তি

Doc1.docx Doc1.docx