মেনু নির্বাচন করুন

দশ আনি নদী

শরতে কাশফুলের আদর কোমল দৃশ্য পাহাড় নদী পর্যটকদের মন পাগল করে তুলবে প্রাকৃতিক আশ্চর্য জাদুতে।
দলযাত্রা অঞ্চল ইতিহাস
শীতভোরে কুয়াশা ঘেরা জঙ্গলদির এক মনোরম গ্রাম্য পথ সবুজ ঘেরা পথের দুই ধারে পাখির কলতান। পথ মাত্র ১০ কি.মি.। মেলান্দহ বাজার রেল লাইন পেরিয়ে জালালাবাদ বর্তমান > জালালপুর ছাড়িয়ে >সাধুপুর >ভাঙ্গা ব্রিজ। সূর্যদয়ের সম্মোহনী দৃশ্য দেখতে দেখতে হাটা পথে পৌছে যাবেন >জঙ্গলদি বহিরচর । ঝিনাই নদীর উৎস মুখ। উত্তরের গারো পাহাড় থেকে >দশআনি নদী এসে পরেছে #ব্রহ্মপুত্র নদে। নদের দক্ষিন পার ভেঙ্গে ব্রহ্মপুত্র বুক থেকে প্রবাহ উৎসারিত ঝিনাই নদী ছুটেছে প্রবলা যমুনার পানে । সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তে এ নির্জন নিসর্গ হয়ে উঠে নয়নাভিরাম পর্যটন স্বর্গ । এ নির্জনতার মোহনায় গোপন অঞ্চলে ডাকাতের ঘোপচর ছিল ব্রিটিশ বিরোধী দলের সন্ন্যাসী ফকির বিপ্লবিদের নিরাপদ আশ্রয়। শুধু তাই নয় ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তি সেনাদের গোপন ঘাটি ছিল এটি। এখান থেকে নৌপথে >দুরমুঠ পীর >আউলিয়া শাহ কামালের মাজার শরিফে যাওয়া যায় দূরত্ব ১০ কিমি।


Share with :

Facebook Twitter